প্রশ্নবাজ

@proshnobaj · 30 posts · 0 shares · 2 followers · 0 following
Age
Not added
Profession
Not added
Interests
Not added
Education
Not added

Author Bio

প্রশ্নবাজ হলো Janbo.bd-এর একজন কৌতূহলী প্রশ্নকারী, যে প্রতিদিনের পরিচিত বিষয়গুলোর মধ্যেও নতুন কিছু জানার চেষ্টা করে। বিজ্ঞান, প্রকৃতি, প্রযুক্তি, ইতিহাস ও চারপাশের নানা মজার বিষয় নিয়ে তার মনে সবসময় নতুন প্রশ্ন আসে। তার বিশ্বাস—ভালো প্রশ্ন থেকেই নতুন জ্ঞান শেখার শুরু।

Wall activity

উদ্ভিদ অক্সিজেন ছাড়ে কখন? দিনে নাকি রাতে?

গাছপালা আমাদের চারপাশের বাতাসের সঙ্গে সবসময়ই কোনো না কোনোভাবে সম্পর্ক রাখে। আমরা জানি, উদ্ভিদের জীবনযাপনের সঙ্গে অক্সিজেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল থাকে—গাছ কি সারাদিন একইভাবে বাতাসের সঙ্গে গ্যাসের আদান-প্রদান করে? রাত নামলে কি গাছের এই কাজের ধরন বদলে যায়? উদ্ভিদের গ্যাসের আদান-প্রদান নিয়ে আরও জানতে পড়ো: [[উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে কীভাবে?]] আরও জানতে পড়ো: [[গাছ দিনে ও রাতে কীভাবে শ্বাস নেয়?]] 🌿 উত্তর: সবুজ উদ্ভিদ সাধারণত দিনের বেলায় সালোকসংশ্লেষণের সময় অক্সিজেন উৎপন্ন করে এবং পরিবেশে ছাড়ে। কারণ সালোকসংশ্লেষণের জন্য আলো প্রয়োজন। সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ সূর্যের আলোর শক্তি ব্যবহার করে পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে খাদ্য তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন উৎপন্ন হয় এবং তা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বাতাসে বেরিয়ে যায়। তবে উদ্ভিদ দিন-রাত উভয় সময়ই শ্বাসক্রিয়া চালায়। শ্বাসক্রিয়ায় উদ্ভিদ অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়ে। রাতে আলো না থাকায় সাধারণত সালোকসংশ্লেষণ হয় না, তাই তখন অক্সিজেন উৎপাদনও হয় না। তাই সহজভাবে বলা যায়—দিনে আলো থাকলে সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন ছাড়ে, আর রাতে সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ থাকায় অক্সিজেন উৎপাদন হয় না।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে কীভাবে?

আমরা জানি, মানুষ ও প্রাণী বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। কিন্তু গাছের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। গাছ মাটির নিচে শিকড় দিয়ে পানি নেয়, আবার বাতাস থেকেও একটি বিশেষ গ্যাস গ্রহণ করে। কিন্তু গাছের তো আমাদের মতো নাক নেই—তাহলে বাতাসের সেই গ্যাস গাছের শরীরে ঢোকে কীভাবে? উদ্ভিদের জীবন নিয়ে আরও জানতে পড়ো: [[উদ্ভিদ কীভাবে সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে?]] আরও জানতে পড়ো: [[উদ্ভিদ অক্সিজেন ছাড়ে কখন? দিনে নাকি রাতে?]] 🌿 উত্তর: উদ্ভিদ মূলত পাতার পত্ররন্ধ্র (Stomata) নামের ক্ষুদ্র ছিদ্রের মাধ্যমে বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। পত্ররন্ধ্র সাধারণত পাতার নিচের পৃষ্ঠে বেশি দেখা যায়। এগুলো খুব ছোট হওয়ায় খালি চোখে সাধারণত দেখা যায় না। পত্ররন্ধ্রের চারপাশে থাকা বিশেষ কোষের সাহায্যে এগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা ও বন্ধ হতে পারে। বাতাসে থাকা কার্বন ডাই-অক্সাইড পত্ররন্ধ্র দিয়ে পাতার ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর পাতার কোষে থাকা ক্লোরোফিল সূর্যের আলোর শক্তি ব্যবহার করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি থেকে খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এই প্রক্রিয়াই সালোকসংশ্লেষণ। অর্থাৎ, গাছের পাতা হলো বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণের প্রধান স্থান, আর পত্ররন্ধ্র হলো সেই গ্যাস প্রবেশের ক্ষুদ্র পথ।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

উদ্ভিদ কীভাবে সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে?

গাছপালা তো মানুষের মতো খাবার খেতে বাইরে যায় না। তবু তারা কীভাবে বেঁচে থাকে, বড় হয় এবং নতুন পাতা তৈরি করে? একটি সবুজ গাছ দিনের পর দিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকেও নিজের প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবস্থা করে ফেলে—এর পেছনে নিশ্চয়ই প্রকৃতির অসাধারণ কোনো কৌশল আছে! উদ্ভিদের জীবন নিয়ে আরও জানতে পড়ো: [[গাছের পাতা সবুজ দেখায় কেন?]] আরও জানতে পড়ো: [[উদ্ভিদ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে কীভাবে?]] 🌿 উত্তর: উদ্ভিদ সূর্যের আলো ব্যবহার করে নিজের খাদ্য তৈরি করে। এই প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। গাছের শিকড় মাটি থেকে পানি শোষণ করে এবং পাতার ক্ষুদ্র রন্ধ্রের মাধ্যমে বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। পাতায় থাকা ক্লোরোফিল সূর্যের আলোর শক্তি ধরে রাখে। এই আলোকশক্তি ব্যবহার করে উদ্ভিদ পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড থেকে গ্লুকোজ নামের খাদ্য তৈরি করে। এই খাদ্য উদ্ভিদের বৃদ্ধি, শক্তি অর্জন ও বিভিন্ন জীবনপ্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। এ সময় অতিরিক্ত অক্সিজেন উৎপন্ন হয়, যা পাতার মাধ্যমে বাতাসে ছেড়ে দেওয়া হয়। সহজভাবে বললে, সূর্যের আলো + পানি + কার্বন ডাই-অক্সাইড → উদ্ভিদের খাদ্য (গ্লুকোজ) + অক্সিজেন। এই কারণেই সবুজ উদ্ভিদকে প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য-উৎপাদক বলা হয়।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

গাছের শিকড় মাটি থেকে পানি শোষণ করে কীভাবে?

একটি বিশাল গাছের দিকে তাকালে মনে হতে পারে, এত উঁচু পর্যন্ত পানি পৌঁছায় কীভাবে! গাছ তো পানি পান করার জন্য মানুষের মতো কোনো মুখ ব্যবহার করে না। আবার মাটিতে থাকা পানি কোথা থেকে গাছের ভেতরে ঢোকে এবং কীভাবে গাছের বিভিন্ন অংশে পৌঁছায়—এটিও বেশ আশ্চর্যের বিষয়। গাছের পানি নিয়ে আরও একটি মজার প্রশ্ন পড়তে পারো: [[গাছের পাতা থেকে পানি বেরিয়ে যায় কীভাবে?]] আরও জানতে পড়ো: [[বীজ থেকে গাছ জন্মায় কীভাবে?]] 🌱 উত্তর: গাছের শিকড় মাটি থেকে পানি শোষণ করার কাজে প্রধান ভূমিকা পালন করে। শিকড়ের একেবারে সূক্ষ্ম অংশে থাকা মূলরোম (Root Hair) মাটির কণার চারপাশে থাকা পানি গ্রহণ করতে সাহায্য করে। মূলরোমের কোষের ভেতরের দ্রবণে পানির ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে কম থাকলে মাটির পানি অভিস্রবণ (Osmosis) প্রক্রিয়ায় মূলরোমের কোষে প্রবেশ করে। এরপর পানি এক কোষ থেকে অন্য কোষে যেতে যেতে শিকড়ের ভেতরের পরিবহন টিস্যু জাইলেমে (Xylem) পৌঁছায়। জাইলেমের মাধ্যমে পানি গাছের কাণ্ড বেয়ে পাতা ও অন্যান্য উপরের অংশে পৌঁছে যায়। এখানে কৈশিক ক্রিয়া, মূলচাপ এবং পাতার পানি বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে তৈরি টান (Transpiration Pull)—সবগুলোই ভূমিকা রাখে। সহজভাবে বললে, শিকড়ের মূলরোম মাটি থেকে পানি গ্রহণ করে, আর জাইলেম সেই পানি গাছের ওপরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয়।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

পানি কাপড়ের ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে কীভাবে?

এক গ্লাস পানি যদি কাপড়ের এক পাশে পড়ে, কিছুক্ষণ পর দেখা যায় কাপড়ের অন্য অংশও ভিজে গেছে। অথচ কেউ তো পানি সেখানে ঢেলে দেয়নি! তাহলে পানির ফোঁটা কাপড়ের ভেতর দিয়ে কীভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পৌঁছে যায়? আর শুকনো কাপড় কেন পানি পেলেই এত দ্রুত ভিজে যেতে শুরু করে? পানির এমন আরও একটি মজার আচরণ জানতে পড়ো: [[পানির ফোঁটা কাঁচের গায়ে লেগে থাকে কেন?]] আরও জানতে পড়ো: [[গাছের শিকড় মাটি থেকে পানি শোষণ করে কীভাবে?]] 💧 উত্তর: পানি কাপড়ের ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ার প্রধান কারণ হলো কৈশিক ক্রিয়া (Capillary Action)। কাপড়ের তন্তুগুলোর মাঝখানে খুব ছোট ছোট ফাঁক বা সরু পথ থাকে। পানি এই সরু পথগুলোর মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। পানির অণু ও কাপড়ের তন্তুর মধ্যে আকর্ষণ এবং পানির অণুগুলোর নিজেদের মধ্যে আকর্ষণ—দুটিই এই চলাচলে ভূমিকা রাখে। যখন কাপড়ের একটি অংশ পানিতে ভিজে যায়, তখন পানি ধীরে ধীরে তন্তুগুলোর সরু ফাঁক বেয়ে আশপাশের শুকনো অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণেই একটি ছোট জায়গায় পানি লাগলেও কিছুক্ষণ পর কাপড়ের অনেকটা অংশ ভিজে যেতে পারে। একই কারণে কাগজের টিস্যু পানিতে পড়লে দ্রুত পানি শোষণ করে এবং গাছের শিকড় থেকে পানি সরু নালির মাধ্যমে ওপরের দিকে উঠতেও কৈশিক ক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজভাবে বললে, কাপড়ের সূক্ষ্ম তন্তুর মাঝের সরু পথ ধরে পানির চলাচলের কারণেই পানি কাপড়ের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

পানির ফোঁটা কাঁচের গায়ে লেগে থাকে কেন?

কাঁচের জানালায় বৃষ্টি পড়লে দেখা যায়, পানির ছোট ছোট ফোঁটা কাঁচের গায়ে আটকে আছে। কিছু ফোঁটা আবার ধীরে ধীরে নিচের দিকে গড়িয়ে যায়, আর কিছু ফোঁটা পাশাপাশি থাকা অন্য ফোঁটার সঙ্গে মিশে বড় হয়ে যায়। পানি তো তরল—তাহলে কাঁচের মতো শক্ত একটি পৃষ্ঠে ফোঁটাগুলো এমনভাবে আটকে থাকে কীভাবে? এই মজার বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কিত আরেকটি প্রশ্ন পড়তে পারো: [[পানির ফোঁটা গোল হয় কেন?]] আরও জানতে পড়ো: [[পানি কেন ভেজা? পানি কোনো বস্তুকে ভিজিয়ে দেয় কীভাবে?]] 💧 উত্তর: পানির ফোঁটা কাঁচের গায়ে লেগে থাকার প্রধান কারণ হলো আকর্ষণ বল। পানি ও কাঁচের অণুর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ তৈরি হয়। এই আকর্ষণের কারণে পানির ফোঁটা কাঁচের পৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে থাকতে পারে। এখানে পানির অণুগুলোর নিজেদের মধ্যকার আকর্ষণও গুরুত্বপূর্ণ। পানির অণুগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে বলে ফোঁটাটি একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করে। একই সঙ্গে পানি ও কাঁচের মধ্যে আকর্ষণ থাকায় ফোঁটাটি কাঁচের পৃষ্ঠে আটকে থাকে। কাঁচ যদি পরিষ্কার ও ভেজা থাকে, তাহলে পানি কাঁচের ওপর ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু কাঁচের পৃষ্ঠে ময়লা, তেল বা অন্য কোনো পদার্থ থাকলে পানির আচরণ ভিন্ন হতে পারে। তাই কাঁচের গায়ে পানির ফোঁটা লেগে থাকার পেছনে মূলত পানি ও কাঁচের অণুর আকর্ষণ এবং পানির অণুগুলোর পারস্পরিক আকর্ষণ কাজ করে।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

বৃষ্টির ফোঁটা গোল হয় কেন?

বৃষ্টি নামার সময় আকাশ থেকে অসংখ্য পানির ফোঁটা মাটির দিকে ছুটে আসে। দূর থেকে দেখলে ফোঁটাগুলোকে ছোট ছোট গোল দানার মতো মনে হয়। কিন্তু পানি তো যে পাত্রে থাকে সেই পাত্রের আকৃতি নেয়—তাহলে আকাশে ভাসমান পানির ফোঁটার নিজস্ব এমন আকৃতি হয় কীভাবে? পানির এই মজার বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সম্পর্কিত আরও একটি প্রশ্ন পড়তে পারো: [[বৃষ্টির পর মাটির গন্ধ কেন পাওয়া যায়?]] আরও জানতে পড়ো: [[পানির ফোঁটা কাঁচের গায়ে লেগে থাকে কেন?]] উত্তর: বৃষ্টির ছোট পানির ফোঁটা প্রায় গোলাকার হওয়ার প্রধান কারণ হলো পৃষ্ঠটান (Surface Tension)। পানির অণুগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে। পানির ভেতরের অণুগুলো চারদিক থেকে প্রায় সমানভাবে আকর্ষণ অনুভব করে। কিন্তু পানির পৃষ্ঠের অণুগুলো ভিন্নভাবে আকর্ষিত হওয়ায় পানির পৃষ্ঠ এমন একটি আকৃতি নিতে চায় যাতে তার পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল যতটা সম্ভব কম থাকে। একই আয়তনের কোনো তরলের ক্ষেত্রে গোলাকার আকৃতির পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সবচেয়ে কম। তাই ছোট পানির ফোঁটা পৃষ্ঠটানের প্রভাবে প্রায় গোলাকার হতে চায়। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বড় বৃষ্টির ফোঁটা পুরোপুরি গোল থাকে না। বাতাসের বাধার কারণে বড় ফোঁটা নিচের দিকে যাওয়ার সময় কিছুটা চ্যাপ্টা বা অন্য আকৃতি ধারণ করতে পারে। অর্থাৎ, ছোট বৃষ্টির ফোঁটার প্রায় গোল হওয়ার পেছনে মূল কারণ হলো পানির পৃষ্ঠটান।

♥ 0 · Comments 0 · ↗ 0

বৃষ্টির পর মাটির গন্ধ কেন পাওয়া যায়?

গরম ও শুকনো দিনের পর হঠাৎ বৃষ্টি নামল। কিছুক্ষণ পর বাইরে বের হতেই নাকে এল এক ধরনের মিষ্টি ও সতেজ মাটির গন্ধ। এই গন্ধ অনেকের কাছেই বেশ পরিচিত এবং আনন্দদায়ক। কিন্তু বৃষ্টি নামার আগে তো মাটিতে এমন গন্ধ থাকে না—তাহলে বৃষ্টি পড়ার পর হঠাৎ এই গন্ধ কোথা থেকে আসে? বৃষ্টির এমন আরও একটি মজার রহস্য জানতে পড়ো: [[বৃষ্টির ফোঁটা গোল হয় কেন?]] আরও জানতে পড়ো: [[বৃষ্টি কীভাবে হয়? আকাশ থেকে পানি মাটিতে নেমে আসে কীভাবে?]] উত্তর জানতে প্রথম কমেন্ট দেখো।

♥ 0 · Comments 1 · ↗ 0

রামধনুতে সাতটি রং দেখা যায় কেন?

বৃষ্টির পর আকাশে হঠাৎ বিশাল একটি রঙিন ধনুক দেখা যায়। লাল থেকে শুরু করে বেগুনি পর্যন্ত সাজানো এই দৃশ্য ছোট-বড় সবার কাছেই দারুণ আকর্ষণীয়। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছ, রামধনুতে এত সুন্দরভাবে রংগুলো আলাদা হয়ে দেখা যায় কেন? বৃষ্টির পানির ফোঁটার সঙ্গে সূর্যের আলোর এমন কী ঘটে যে আকাশে তৈরি হয় এই চমৎকার দৃশ্য? আলোর এই রহস্য বুঝতে চাইলে আগে পড়তে পারো: [[সাদা আলো কি সত্যিই সাদা? সাদা আলোতে কত রং থাকে?]] আরও জানতে পড়ো: [[বৃষ্টির পর মাটির গন্ধ কেন পাওয়া যায়?]] উত্তর জানতে প্রথম কমেন্ট দেখো।

♥ 0 · Comments 1 · ↗ 0

কেন আকাশ নীল দেখায়, কিন্তু সূর্যাস্তের সময় লাল হয়?

দিনের বেলা আকাশের দিকে তাকালে আমরা সাধারণত নীল রং দেখতে পাই। কিন্তু সূর্য ডোবার সময় সেই আকাশই কমলা, হলুদ বা লালচে হয়ে যায়। তাহলে একই আকাশের রং সময়ের সঙ্গে বদলে যায় কেন? সূর্যের আলো কি সত্যিই রং বদলে ফেলে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ আছে? এই রহস্য বুঝতে হলে জানতে হবে সূর্যের সাদা আলো আসলে বিভিন্ন রঙের আলোর মিশ্রণ। আলোর এই রংগুলো কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে, তা জানলে পুরো বিষয়টি আরও সহজ হবে। আরও জানতে পড়ো: [[আলো কী? আলো কীভাবে আমাদের চারপাশের জিনিস দেখতে সাহায্য করে?]] আরও জানতে পড়ো: [[রং কীভাবে তৈরি হয়? আমরা বিভিন্ন রং দেখি কীভাবে?]]

♥ 0 · Comments 1 · ↗ 0