গভীর সমুদ্রের আসল "দৈত্য": ক্রাকেন কি আসলেই সত্যি?
আপনি কি জানেন, প্রশান্ত মহাসাগরের ৪,০০০ মিটার গভীরে এমন এক প্রাণী বাস করে যার চোখের আকার এক-একটি বাস্কেটবলের সমান? শত শত বছর ধরে নাবিকরা একটি বিশাল অক্টোপাস বা স্কুইডের গল্প বলে আসছে, যা আস্ত জাহাজ টেনে সাগরের নিচে নিয়ে যেত। একে বলা হতো 'ক্রাকেন'। কিন্তু বিজ্ঞানের আধুনিক যুগে এসে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি স্রেফ রূপকথা, নাকি সত্যিই সাগরের তলে লুকিয়ে আছে কোনো রহস্য?
২০০৪ সালে জাপানি গবেষক দল প্রথমবারের মতো জীবন্ত দৈত্যাকার স্কুইড (Giant Squid)-এর ছবি তুলতে সক্ষম হন। এটি প্রায় ৪৩ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে! কিন্তু রহস্য এখানেই শেষ নয়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এন্টার্কটিকার হিমশীতল বরফের নিচে রয়েছে 'কলোসাল স্কুইড', যা আয়তনে ও শক্তিতে এর চেয়েও বহুগুণ বড়। এদের শরীরে এমন কিছু কেমিকেল রয়েছে যা দিয়ে এরা অন্ধকার সাগরে আলো তৈরি করতে পারে।
গভীর সাগরের ৯৫ শতাংশ এলাকাই আজ পর্যন্ত মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে। তাই কাল রাতে আপনি যখন ঘুমিয়েছিলেন, ঠিক তখনই হয়তো নীল সাগরের অতলে সাঁতার কেটেছে পৃথিবীর সবচেয়ে রহস্যময় কোনো জীব। যা দেখে রূপকথার নাবিকরা প্রথম চমকে উঠেছিল!

Comments (0)
Login to comment.